ঢাকা , বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ , ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভারতে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিস্ফোরণ, নিহত ১১ নজিরবিহীন জ্বালানি সংকট ডেকে আনতে পারে বিশ্বমন্দা মানবতাবিরোধী অপরাধে নানক-তাপসের অভিযোগ গঠনের শুনানি আজ দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার বন্ধ ঘোষণা কৃষক কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষকের কাছে পর্যায়ক্রমে ‘কৃষক কার্ড’ তুলে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা কাজে লাগিয়ে বিএনপি যা ইচ্ছা তাই করছে: হাসনাত আবদুল্লাহ আমরা সবাই জুলাই প্রোডাক্ট— ডা. শফিকুর রহমান হরমুজ ঘিরে আবারও উত্তেজনা, লাফিয়ে বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম নেপালে প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি করায় সাংবাদিক গ্রেপ্তার, বিক্ষোভের পর মুক্তি ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু সরকারি কর্মকর্তাদের বাড়ি-গাড়িসহ ৯ খাতে ব্যয় কমাল সরকার শিশুদের টিকার অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে দুদকে আবেদন গাড়ি শোডাউন বিতর্কে পদ হারালেন ছাত্রদল নেতা জামিনে মুক্ত হলেন বাউল শিল্পী আবুল সরকার মায়ের কবরের সামনে দাঁড়িয়ে মার্কশিট দেখাল দুই ভাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জরুরি নির্দেশনা মাউশির বাংলাদেশিদের জন্য আগামী সপ্তাহে ভিসা চালু করছে ভারত- হুমায়ুন কবির অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি করার চিন্তা সরকারের আমরা আবারও আন্দোলনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি : নাহিদ ইসলাম
জাতিসংঘের বিবৃতি

৪২৭ রোহিঙ্গাকে নিয়ে আচমকাই ডুবলো দুই নৌকা

  • আপলোড সময় : ২৪-০৫-২০২৫ ০৪:৫৮:৩৭ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৪-০৫-২০২৫ ০৪:৫৮:৩৭ অপরাহ্ন
৪২৭ রোহিঙ্গাকে নিয়ে আচমকাই ডুবলো দুই নৌকা
বঙ্গোপসাগরের মিয়ানমার উপকূলে পৃথক দুটি নৌকাডুবির ঘটনায় অন্তত ৪২৭ জন রোহিঙ্গা নিখোঁজ হয়েছেন। আজ শনিবার (২৪ মে) জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। নিখোঁজদের মধ্যে রয়েছেন নারী, পুরুষ ও শিশুরা।

বিবৃতিতে জানানো হয়, প্রথম দুর্ঘটনাটি ঘটে ৯ মে। ওইদিন মিয়ানমারের আরাকান রাজ্যের উপকূল থেকে ২৬৭ জন রোহিঙ্গাকে নিয়ে রওনা হয় একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা। তবে কিছুদূর এগোনোর পরই তা ডুবে যায়। নৌকাডুবির পর মাত্র ৬৬ জন যাত্রী জীবিত ফিরে আসেন, বাকিদের আর খোঁজ মেলেনি।

এর ঠিক পরদিন, ১০ মে ঘটে আরও একটি অনুরূপ দুর্ঘটনা। ওইদিনও আরাকান উপকূল থেকে একটি কাঠের ইঞ্জিনচালিত নৌকা রওনা দিয়েছিল ২৪৭ জন যাত্রী নিয়ে। একইভাবে কিছুদূর গিয়েই সেটিও ডুবে যায়। এবার বেঁচে ফেরেন মাত্র ২১ জন। নিখোঁজ বাকি ২২৬ জনের কোনো সন্ধান এখনও পাওয়া যায়নি।

এই দুই মর্মান্তিক ঘটনায় গভীর শোক ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইউএনএইচসিআর। সংস্থাটির এশিয়া ও প্যাসিফিক ব্যুরোপ্রধান হাই কিউং জুন বলেন, "মিয়ানমারে দীর্ঘদিন ধরে চলা সহিংসতা এবং রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর লাগাতার নির্যাতন-নিপীড়ন তাদেরকে এমন বিপজ্জনক পথ বেছে নিতে বাধ্য করছে।"

রোহিঙ্গা সংকটের সূত্রপাত ২০১৭ সালের আগস্টে, যখন আরাকান স্যালভেশন আর্মি (আরসা) রাখাইনের পুলিশ স্টেশন ও সেনা ছাউনিতে একযোগে হামলা চালায়। প্রতিক্রিয়ায় মিয়ানমার সেনাবাহিনী ভয়াবহ হামলা শুরু করে রোহিঙ্গা অধ্যুষিত গ্রামগুলোতে। নির্যাতন, ধর্ষণ, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের মুখে হাজার হাজার রোহিঙ্গা নাফ নদী পেরিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়।

বাংলাদেশ সরকার কক্সবাজারের কুতুপালংয়ে শরণার্থী শিবির স্থাপন করে তাদের আশ্রয় দেয়। এরপর জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সহায়তাকারী সংস্থাগুলোর সহায়তায় খাদ্য, চিকিৎসা ও অন্যান্য জরুরি সেবা প্রদান শুরু হয়। বর্তমানে কুতুপালংসহ অন্যান্য শিবিরে ১৫ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বসবাস করছেন।

৯ ও ১০ মে নিখোঁজ হওয়া রোহিঙ্গা যাত্রীরা কোথায় যাচ্ছিলেন, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, তারা উন্নত জীবনের আশায় ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া বা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্য কোনো দেশে পৌঁছানোর চেষ্টা করছিলেন।

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
নজিরবিহীন  জ্বালানি সংকট ডেকে আনতে পারে বিশ্বমন্দা

নজিরবিহীন জ্বালানি সংকট ডেকে আনতে পারে বিশ্বমন্দা